News

  • খুলনা-৩ আসনে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য “বকুলকে বলুন” অভিযোগ ও পরামর্শ হটলাইন চালু

    খুলনা, বাংলাদেশের খুলনা-৩ জাতীয় সংসদ নির্বাচনী এলাকায় BNP মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব রকিবুল ইসলাম বকুল জনসাধারণের জন্য একটি নির্বাচনী অভিযোগ ও পরামর্শ হটলাইন চালু করেছেন। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো ভোটের পরিবেশকে আরও স্বচ্ছ, অবাধ ও সুষ্ঠু করা এবং ভোটারদের অসুবিধা, অভিযোগ ও পরামর্শ সরাসরি প্রাপ্ত ও প্রক্রিয়াজাত করা। খুলনা-৩ আসনটি খুলনার খালিশপুর, দৌলতপুর, খানজাহান আলী (অংশ), দিঘলিয়া (অংশ) এলাকাসহ শহরের গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করে। এখানে একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা চলছে এবং নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভোটারদের প্রত্যাশা ও দাবি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হচ্ছে। এই হটলাইনটি মি. রকিবুল ইসলাম বকুলের উদ্যোগে চালু করা হয়েছে যাতে ভোটাররা যেকোনো সময়ে তাদের অভিযোগ ও পরামর্শ সহজেই পৌঁছাতে পারে এবং নির্বাচন নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করা যায়। ইনিশিয়েটিভটি শুধু অভিযোগ সংগ্রহ করবে না, বরং ভোটারদের দিকনির্দেশনা ও পরামর্শ গ্রহণ করেও নির্বাচনী পরিবেশ উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে। হটলাইন যোগাযোগ নম্বরগুলো নিচে উল্লেখ করা হলো: * নির্বাচনী হটলাইন: ০৯৬১৩৮০০৩০০ * হোয়াটসঅ্যাপ: ০১৩২৩২৩৪৫৪৮ এই হটলাইন সুবিধা ভোটারদের ভোটাধিকার রক্ষায় সহায়ক প্রমাণ হবে এবং নির্বাচনের প্রতিটি ধাপে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিবেশ নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট প্রার্থী ও দলের নেতারা। উল্লেখ্য, খুলনা-৩ আসনে BNP কেন্দ্রীয় ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক এবং মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মি. রকিবুল ইসলাম বকুল উন্নয়নমূলক প্রতিশ্রুতি ও জনগণের দাবির প্রতি গুরুত্ব ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহন করছেন।
  • খুলনায় আর কোনো তরুণ বেকার থাকবে না”— আলহাজ্ব রকিবুল ইসলাম বকুল এমপি প্রার্থী খুলনা–৩ এর কর্মসংস্থান ও ডিজিটাল রূপান্তরের অঙ্গীকার

    খুলনা: খুলনার তরুণ সমাজের জন্য কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে আলহাজ্ব রকিবুল ইসলাম বকুল, এমপি পদপ্রার্থী খুলনা–৩, সুস্পষ্ট ও ধাপে ধাপে কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। ঘোষণায় বলা হয়, “খুলনায় আর কোনো তরুণ বেকার থাকবে না”—এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে শিল্প, ডিজিটাল অর্থনীতি, শিক্ষা ও বিদেশে কর্মসংস্থানের সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হবে। প্রথমত: শিল্প পুনর্জাগরণ ও কর্মসংস্থান খুলনার খালিশপুর, দৌলতপুরসহ সব শিল্প এলাকায় নতুন কারখানা স্থাপন এবং বন্ধ কারখানা পুনরায় চালু করা হবে। এসব কারখানায় চাকরির ক্ষেত্রে খুলনার স্থানীয় তরুণদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। দ্বিতীয়ত: ডিজিটাল কর্মসংস্থান ও ফ্রি ওয়াইফাই বর্তমান যুগের বাস্তবতায় ডিজিটাল কাজকে অগ্রাধিকার দিয়ে খুলনায় ইতোমধ্যে ৬টি ফ্রি ওয়াইফাই জোন চালু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে খুলনার প্রতিটি ওয়ার্ডে ফ্রি ওয়াইফাই সম্প্রসারণ করা হবে। পাশাপাশি AI লার্নিং, ফ্রিল্যান্সিং ও অনলাইন আর্নিংয়ের সুযোগ তৈরি করা হবে, যাতে তরুণরা ঘরে বসেই বৈশ্বিক বাজারে কাজ করতে পারে। তৃতীয়ত: খুলনাকে ডিজিটাল হাবে রূপান্তর খুলনাকে শুধু শিল্পনগরী নয়, একটি পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—যা ভবিষ্যতে বাংলাদেশের “সিলিকন ভ্যালি” হিসেবে পরিচিত হবে। ডিজিটাল কনটেন্ট ক্রিয়েটর, সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার, স্টার্টআপ ও SME উদ্যোক্তাদের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা এবং সহজ শর্তে ঋণের ব্যবস্থা করা হবে। চতুর্থত: বিদেশে কর্মসংস্থান ও স্কিল ট্রেনিং বিদেশে কাজ করতে আগ্রহী তরুণদের দালালমুক্ত ও নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক মানের স্কিল ট্রেনিং দেওয়া হবে, যাতে তারা সম্মানের সঙ্গে বিদেশে কাজ করে বৈধ রেমিটেন্স পাঠাতে পারে। পঞ্চমত: কর্মসংস্থানমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা শুধু ডিগ্রিনির্ভর শিক্ষা নয়—বাস্তবভিত্তিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও কর্মসংস্থানমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে। স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসাসহ সব স্তরে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সর্বশেষ অঙ্গীকার দল-মত, পরিচয় বা সম্পদের ভিত্তিতে কাউকে বঞ্চিত করা হবে না। খুলনার প্রতিটি পরিবার কাজের সুযোগ পাবে এবং প্রতিটি তরুণ স্বপ্ন দেখার সাহস পাবে। বক্তব্যে জানানো হয়, এই উদ্যোগ কোনো ব্যক্তি বা দলের জন্য নয়—এটি খুলনার ভবিষ্যৎ গড়ার সংগ্রাম। আলহাজ্ব রকিবুল ইসলাম বকুল, এমপি প্রার্থী খুলনা–৩, তরুণ সমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণে, ইনশাআল্লাহ খুলনায় বেকারত্ব শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা সম্ভব হবে।
  • খুলনা–৩ এ চালু হলো ফ্রি ওয়াইফাই জোন

    “স্মার্ট লাইফ, ফ্রি ওয়াইফাই" এই স্লোগানকে সামনে রেখে খুলনা–৩ আসনের সাধারণ জনগণ ও শিক্ষার্থীদের জন্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) উদ্যোগে চালু করা হয়েছে ফ্রি ওয়াইফাই জোন। খুলনা–৩ এর প্রতিটি থানার আওতায় খালিশপুর, দৌলতপুর ও খানজাহান আলী এলাকায় মোট ৬টি পয়েন্টে ২৪ ঘণ্টা হাই-স্পিড ইন্টারনেট সুবিধাসম্পন্ন “বকুল’স ওয়াইফাই জোন”চালু করা হয়েছে। কোনো পাসওয়ার্ড ছাড়াই যে কেউ সহজেই এই ওয়াইফাই সেবায় সংযুক্ত হতে পারবে। এ বিষয়ে আলহাজ্ব রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন,আজকের বিশ্বে ইন্টারনেট আর বিলাসিতা নয়; এটি শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও সমাজে সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য একটি মৌলিক প্রয়োজন। জ্ঞান অর্জন এখন আর শুধু লাইব্রেরির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। হাতের মুঠোয় ইন্টারনেট থাকায় তরুণরা আধুনিক প্রযুক্তি শিখে লার্নিং ও ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে উপার্জনের সুযোগ পাচ্ছে। ফ্রি ওয়াইফাই তরুণ সমাজসহ সবার অধিকার। ইনশাল্লাহ, আমাদের তরুণরাই হবে এআই যুগের অগ্রদূত। তিনি আরও জানান, পর্যায়ক্রমে এই ফ্রি ওয়াইফাই সেবা খুলনা–৩ এর প্রতিটি ওয়ার্ড ও ইউনিয়নে সম্প্রসারণ করা হবে, যাতে কোনো গ্রাম, কোনো শিক্ষার্থী কিংবা কোনো নাগরিক ডিজিটাল সেবা থেকে বঞ্চিত না থাকে। এই উদ্যোগটি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ, যার মূল লক্ষ্য খুলনায় ডিজিটাল বৈষম্য কমানো, সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংযোগ শক্তিশালী করা এবং টেকসই কমিউনিটি উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখা। স্থানীয় বাসিন্দারা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ফ্রি ওয়াইফাই সেবার মাধ্যমে শিক্ষার্থী, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, তরুণ সমাজ ও সাধারণ পরিবারগুলো শিক্ষা, চাকরির সুযোগ, সরকারি সেবা এবং বৃহত্তর অর্থনীতির সঙ্গে আরও সহজে সংযুক্ত হতে পারবে। মিডিয়া সেল খুলনা - ৩ ফোন - ০১৩২৩-২৩৪৫৪৮
  • Free Wi-Fi Zone Launched in Khulna–3

    With the slogan “Smart Life, Free Wi-Fi,” the Bangladesh Nationalist Party (BNP) has launched Free Wi-Fi Zones for the general public and students of the Khulna–3 constituency.

    Under this initiative, “Bakul’s Wi-Fi Zone” has been introduced at six locations across the areas of Khalishpur, Daulatpur, and Khan Jahan Ali constituency of Khulna–3. These zones provide 24-hour high-speed internet access, allowing anyone to connect easily without a password.

    Speaking on the occasion, Alhaj Rakibul Islam Bakul said:

    “In today’s world, the internet is no longer a luxury; it is a basic necessity for education, employment, and active participation in society. Knowledge is no longer confined to libraries. With internet access in hand, young people can learn modern technologies and create earning opportunities through learning and freelancing. Free Wi-Fi is a right for everyone, especially the youth. Insha’Allah, our young generation will be the pioneers of the AI era.”

    He further added that this free Wi-Fi service will be expanded gradually to every ward and union of Khulna–3, ensuring that no village, student, or citizen is left behind in accessing digital services.

    This initiative is part of the long-term social development plan of the Bangladesh Nationalist Party, aimed at strengthening social and economic connectivity and contributing effectively to sustainable community development.

    Local residents welcomed the initiative, stating that the free Wi-Fi service will help students, small business owners, youth, and families connect more easily with education, job opportunities, government services, and the broader economy.

    Media Cell, Khulna–3

    Phone: 01323-234548

  • খালেদা জিয়ার প্রয়াণে খুলনা-৩ আসনে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা সাময়িক স্থগিত

    বাংলাদেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বিএনপি চেয়ারপার্সন ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে সমগ্র জাতি আজ গভীর শোকাহত। আজ মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোরে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। দেশনেত্রীর এ শোকাবহ প্রয়াণে তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে খুলনা-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব রকিবুল ইসলাম বকুল নির্বাচনী সকল ধরনের প্রচার-প্রচারণা সাময়িকভাবে স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছেন। আজ এক শোকবার্তায় আলহাজ্ব রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, বেগম খালেদা জিয়া শুধু বিএনপির নেত্রী নন, তিনি ছিলেন বাংলাদেশের গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও ভোটাধিকার রক্ষার এক অবিচল সংগ্রামী প্রতীক। তাঁর মৃত্যুতে জাতি এক সাহসী ও আপসহীন নেত্রীকে হারাল। এদিকে বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে খুলনা-৩ আসনের বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নেতাকর্মীরা দেশনেত্রীর রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়ার আয়োজনের আহ্বান জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একজন প্রভাবশালী ও দৃঢ়চেতা নেত্রী হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তাঁর ভূমিকা ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
  • খুলনা-৩ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করলেন রকিবুল ইসলাম বকুল

    এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-৩ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী, বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব রকিবুল ইসলাম বকুল আজ মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে তিনি খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে তাঁর মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এ সময় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। মনোনয়নপত্র দাখিল শেষে সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, খুলনা-৩ আসনের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে ভোটের অধিকার থেকে বঞ্চিত। আমি বিশ্বাস করি, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে এ এলাকার জনগণ ধানের শীষের পক্ষেই রায় দেবে। জনগণের অধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের এই লড়াইয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তিনি আরও বলেন, বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনায় সুযোগ পেলে জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির খুলনা মহানগর বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও মহিলা দলের নেতৃবৃন্দ। এ সময় নেতাকর্মীরা ধানের শীষ প্রতীক হাতে নিয়ে বিভিন্ন স্লোগানে মুখর করে তোলেন পুরো এলাকা। মনোনয়ন দাখিলকে কেন্দ্র করে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। উল্লেখ্য, খুলনা-৩ আসনটি বিএনপির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আসন হিসেবে বিবেচিত। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনী প্রচারণা ও সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে শিগগিরই ব্যাপক কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
  • বেগম খালেদা জিয়ার সংকটাপন্ন অবস্থা: খুলনা- ৩ আসনে রকিবুল ইসলাম বকুলের নির্বাচনী প্রচারণা স্থগিত

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ হয়ে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছেন তিনি। গত কয়েকদিনে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকরা তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতীক এই নেত্রীর এমন সংকটময় মুহূর্তে সারাদেশে উদ্বেগের ছায়া নেমে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে খুলনা-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী আলহাজ্ব রকিবুল ইসলাম বকুল নির্বাচনী প্রচারণার সব কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এ বিষয়ে জরুরি এক বৈঠকে বকুল জানান, আমাদের দলীয় নেত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজ জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। এই অবস্থায় প্রচারণার শোরগোল বা কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়া কোনোভাবেই নৈতিক বা রাজনৈতিকভাবে শোভন নয়। আমরা তার সুস্থতা কামনার মধ্যেই সমস্ত মনোযোগ রাখতে চাই। তিনি আরও বলেন, খুলনা-৩ আসনের সকল নেতাকর্মীকে অনুরোধ করা হচ্ছে, প্রচারণা কার্যক্রম স্থগিত রেখে দেশনেত্রীর রোগমুক্তির জন্য দোয়া ও প্রার্থনার আয়োজন করতে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এবং কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত পাওয়া গেলে পুনরায় প্রচারণা কার্যক্রম শুরু হবে। এদিকে দলটির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় সূত্র জানায়, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার সর্বশেষ আপডেট সার্বক্ষণিকভাবে সংগ্রহ করা হচ্ছে। সারাদেশের বিভিন্ন মসজিদ-মন্দির-উপাসনালয়ে তার দ্রুত আরোগ্যের জন্য বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। খুলনা-৩ আসনের নির্বাচনী মাঠেও খালেদা জিয়ার অসুস্থতার প্রভাব স্পষ্ট। সাধারণ ভোটাররাও তার সুস্থতা কামনা করে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিচ্ছেন। এলাকায় নির্বাচনী উত্তাপ খানিকটা থেমে গেলেও নেত্রীর প্রতি সহমর্মিতা এবং প্রার্থীর এই সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান প্রকাশ করছেন অনেকে।
  • মা হলেন সেই আলোকবর্তিকা, যিনি অন্ধকারে পথ দেখান: রকিবুল ইসলাম বকুল

    মা হলো সন্তানকে সৎ পথে রাখার প্রথম শিক্ষক ও জীবনের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ। বর্তমান প্রজন্মকে নৈতিক, শিক্ষিত ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে মায়ের ভূমিকা অনন্য। একজন মা যেমন পরিবারকে ধরে রাখেন, তেমনি একটি রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকেও সঠিক পথে পরিচালিত করেন। মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) সকালে বঙ্গবাসী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে আয়োজিত মা দিবস উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন অত্র এলাকার বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব রকিবুল ইসলাম বকুল। তিনি আরও বলেন, মা দিবস শুধুই আনুষ্ঠানিকতা নয়- এটি মায়ের প্রতি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও দায়িত্ববোধ প্রকাশের দিন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলহাজ্ব মোঃ দেলোয়ার হোসেন। প্রধান অতিথি মায়েদের প্রতি সম্মান জানিয়ে বলেন, সন্তানের পড়াশোনা, শৃঙ্খলা, আচার-আচরণ- সবকিছুতেই মায়ের প্রভাব সবচেয়ে বেশি। তাই সমাজে মায়ের মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের সবার দায়িত্ব। অনুষ্ঠানের সভাপতির বক্তব্যে প্রধান শিক্ষক আলহাজ্ব মোঃ দেলোয়ার হোসেন বলেন, প্রতিটি সফল শিক্ষার্থীর পেছনে একজন পরিশ্রমী মা রয়েছেন। বিদ্যালয়ের উন্নয়নের পাশাপাশি অভিভাবকদের সহযোগিতায় আমরা শিক্ষার্থীদের আরও এগিয়ে নিতে চাই। অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মায়েদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়। পরে অতিথিদের উপস্থিতিতে এক সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
  • ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর – জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস

    ৭ নভেম্বর, ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস। ১৯৭৫ সালের এই দিনে বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক মোড় পরিবর্তনের ঘটনা সংঘটিত হয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধোত্তর অস্থিরতা, রাজনৈতিক সংঘাত ও সেনা অস্থিরতার মধ্য দিয়ে এই দিনটি জাতিকে নতুন দিকনির্দেশনা দিয়েছিল। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর দেশে তীব্র অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হয়। প্রশাসনিক কাঠামো ও রাজনৈতিক নেতৃত্বে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়, যা পরবর্তী সময়ে আরও জটিল আকার ধারণ করে। এরই ধারাবাহিকতায় ৩ নভেম্বর কারাগারে জাতীয় চার নেতা হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। এই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে ৭ নভেম্বর সেনা-বাহিনী ও সাধারণ জনগণ একত্রে একটি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতার পালাবদল ঘটায়। এই দিনের ঘটনাকে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে অভিহিত করা হয়, কারণ এদিন সৈনিক-জনতা একত্রে জাতির ঐক্য ও স্বাধীনতার চেতনা পুনরুদ্ধারে ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল। এই আন্দোলনের মাধ্যমে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবু সাদাত মো. সায়েম রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্বে আসেন এবং মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান জাতীয় নেতৃত্বে উঠে আসেন। ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গভীর তাৎপর্যপূর্ণ দিন। দিনটি নিয়ে দেশে নানা মত থাকলেও এটি জাতীয় রাজনৈতিক ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন এদিনটিকে ভিন্নভাবে পালন করে থাকে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এ দিনটিকে “জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস” হিসেবে পালন করে থাকে, যেখানে দলীয় কর্মীরা শহীদ সৈনিক ও নেতৃবৃন্দের স্মরণে মিলাদ, দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভার আয়োজন করে। অন্যদিকে কিছু রাজনৈতিক দল এই দিনটিকে ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখে থাকে। বিএনপি ও তার সহযোগী সংগঠনগুলো এদিন সকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পার্পণ করে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানায়। এছাড়া রাজধানীসহ সারাদেশে দোয়া মাহফিল, র‌্যালি, আলোচনা সভা ও সেমিনারের আয়োজন করা হয়। দলটির পক্ষ থেকে জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয় এবং জাতীয় ঐক্য ও গণতন্ত্র রক্ষায় তাঁর অবদান তুলে ধরা হয়। ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের রাষ্ট্রগঠনের ইতিহাসে শুধু একটি রাজনৈতিক পরিবর্তনের দিন নয়, এটি ঐক্য, দেশপ্রেম ও সংহতির প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত। আজও এই দিনটি স্মরণ করিয়ে দেয়-জাতীয় সংকটে জনগণ ও সেনাবাহিনীর ঐক্য কিভাবে দেশকে নতুন পথে এগিয়ে নিতে পারে।  
  • খুলনা-৩ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন আলহাজ্ব রকিবুল ইসলাম বকুল

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-৩ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছেন আলহাজ্ব রকিবুল ইসলাম বকুল। সোমবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর গুলশানস্থ বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে দলের স্থায়ী কমিটি ও সাংগঠনিক টিমের যৌথ বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই ঘোষণা দেন। জানা গেছে, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং নির্বাচন কমিশন আগামী ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে তফসিল ঘোষণা করবে। আলহাজ্ব রকিবুল ইসলাম বকুল খুলনার খালিশপুর এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন। শৈশব থেকেই মেধাবী ও সামাজিক কাজে আগ্রহী বকুল প্রাথমিক শিক্ষা নেন স্থানীয় রোটারি স্কুলে। পরবর্তীতে খালিশপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং খুলনা বিএল কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। এরপর ১৯৮৫ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হন। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালের সময় থেকেই তিনি রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হন এবং সক্রিয়ভাবে ছাত্ররাজনীতিতে অংশ নেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা চলাকালেই তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সঙ্গে যুক্ত হন এবং ধীরে ধীরে সংগঠনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি হল কমিটির সহ-সভাপতি, প্রচার সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করেন। ছাত্রজীবন শেষ করার পরও রাজনীতির সঙ্গে সম্পর্ক অটুট রাখেন এবং খুলনা মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন। দীর্ঘদিনের তৃণমূল সংগঠনের অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বগুণের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক পদে তাঁকে মনোনীত করা হয়। রাজনৈতিক জীবনে আলহাজ্ব রকিবুল ইসলাম বকুল সবসময় আন্দোলন ও গণতান্ত্রিক অধিকারের পক্ষে সোচ্চার ছিলেন। সরকারবিরোধী আন্দোলনসহ বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচিতে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছেন। দলের নেতাকর্মীদের প্রতি তাঁর নেতৃত্বের দৃঢ়তা ও তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক তাঁকে খুলনা-৩ আসনে অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হলেও তিনি হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন পেয়েছেন এবং নির্ভীকভাবে দলীয় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। ব্যক্তিগত জীবনে বকুল একজন শিক্ষিত, পরিবারপ্রেমী ও সমাজসেবামূলক কাজে নিবেদিত মানুষ। তাঁর পিতা ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম, যিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় স্থানীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। পিতার আদর্শ ও দেশপ্রেম থেকেই বকুলের জীবনে সামাজিক দায়িত্ববোধ গড়ে ওঠে। করোনা মহামারির সময় তিনি খুলনা অঞ্চলে অসহায় মানুষের জন্য খাদ্য সহায়তা ও চিকিৎসা সামগ্রী বিতরণে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। তাছাড়া তিনি বিভিন্ন দাতব্য ও সামাজিক সংগঠনের সঙ্গেও যুক্ত আছেন এবং তরুণ প্রজন্মকে সুশিক্ষা ও সামাজিক দায়িত্ববোধে উদ্বুদ্ধ করতে কাজ করে যাচ্ছেন। বর্তমানে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে আলহাজ্ব রকিবুল ইসলাম বকুল খুলনা-৩ আসনে নির্বাচনী প্রস্তুতি শুরু করেছেন। দীর্ঘ ছাত্ররাজনীতির অভিজ্ঞতা, তৃণমূলের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক এবং পারিবারিক ঐতিহ্য তাঁর সবচেয়ে বড় শক্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে। স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তাঁর প্রার্থিতা এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে। বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বও বিশ্বাস করে, বকুল জনগণের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাবেন এবং এই আসনে পরিবর্তনের বার্তা বয়ে আনতে সক্ষম হবেন।
'